কৃষি সময়
প্রকাশ : Aug 3, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

উপকূলীয় অঞ্চলে সহনশীলতা বাড়াতে জাতীয় পরামর্শ সভা

কৃষি সময় ডেস্কঃ  বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় প্রকৃতিনির্ভর কার্যক্রমের অগ্রাধিকার নির্ধারণে দুই দিনব্যাপী জাতীয় কারিগরি পরামর্শ সভা শুরু হয়েছে।
রবিবার রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় ‘সহনশীল উপকূলীয় বাংলাদেশের জন্য প্রকৃতিনির্ভর কার্যক্রমের অগ্রাধিকার নির্ধারণ’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করা হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সচিব ডক্টর মো. ফরিদুল ইসলাম ও ইআরডি'র অতিরিক্ত সচিব একেএম সোহেল। সম্মানীয় অতিথি ছিলেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একুয়াকালচার ও মেরিন ফিসারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল ওয়াহাব।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য উপস্থাপন করেন কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা।

প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনাল ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। জীবিকা নির্বাহের জন্য তাদের প্রতিনিয়ত প্রকৃতির প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি দেখেছি, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবারই গভীর আগ্রহ রয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কীভাবে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা যায়। উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা কাজ করছে। কিন্তু সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করলেই কেবল এসব উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ হবে।’

দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলগুলো এবং যেসব এলাকায় ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধার সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, সেগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে চিহ্নিত করা হবে।

অংশগ্রহণকারী ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন ভৌগোলিক মানচিত্র, বৈজ্ঞানিক তথ্য ও উপাত্ত পর্যালোচনা করছেন। যার ভিত্তিতে তারা অগ্রাধিকারভিত্তিক এলাকা নির্ধারণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, প্রতিবেশভিত্তিক জীবিকা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রস্তুতি, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের প্রাপ্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করছেন।

কর্মশালাটি ‘মাউন্টেনস টু ম্যানগ্রোভস’ উদ্যোগের অংশ। এর শেষ পর্বে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব, পরবর্তী কার্যক্রম, সমন্বয় কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ কারিগরি সহযোগিতার অগ্রাধিকার নির্ধারণের মাধ্যমে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃ/স/জয়




মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বগুড়ায় সংরক্ষণাগার অভাবে বছরে ৪শ’কোটি টাকার সবজি নষ্ট

1

পুকুরে মাছ চাষাবাদের গ্রাম

2

অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করতে

3

কচুয়ায় ১২০টি চায়না দুয়ারি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

4

বাজারে সবজিরমূল্য চড়া, দাম পাচ্ছেন না কৃষক

5

কাজীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ চত্বরে বৃক্ষরোপণ

6

কুড়িগ্রামে আগাম সবজিতে লাভের স্বপ্ন

7

ময়মনসিংহে সেচ সহায়ক সরঞ্জামাদি বিতরণের উদ্বোধন

8

সবজি-সালাদে মানবদেহের ক্ষতিকর কীটনাশকের উপস্থিতি

9

সালথায় পাটকল স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশ

10

রাজশাহী জেলায় আমন রোপণে ব্যস্ত কৃষক

11

সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

12

মানিকগঞ্জে বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ মরিচ চাষাবাদ

13

কাপ্তাই হ্রদে ৭ দিনে ২২৪ টন মাছ আহরণ

14

নিজ জেলায় ফিরছেন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তারা

15

মেঘনায় ধরা পড়ল ২৫ কেজির হিলা মাছ

16

নীলফামারীতে বাড়ছে আখ চাষ

17

গোলা ভরা ধান, তবুও ফিকে কৃষকের স্বপ্ন

18

কোয়েল,কম্পোস্ট সার তৈরিতে জরিনার সাফল্য

19

সাতক্ষীরায় তিল উৎপাদন কমেছে আশঙ্কাজনক

20