কৃষি সময়
প্রকাশ : Jul 23, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

পেঁয়াজ সংরক্ষণে ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী


স্টাফ রিপোটারঃ কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন করে আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেওয়া হবে।

আজ রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্প’-এর জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. মো. রফিকুল ই মোহামেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহফুজুর রহমান।

মন্ত্রী বলেন, দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় বেশি হলেও পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাড়ানোর মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং উৎপাদন বাড়িয়ে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ রপ্তানি করা হবে।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের উৎপাদন বেশি হলেও সংরক্ষণের অভাবে আমাদের আমদানি করতে হয়। তাই আমরা পেঁয়াজের সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে। একই সঙ্গে উৎপাদন বাড়িয়ে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ রপ্তানি করা হবে।’

প্রকল্পের আওতায় পেঁয়াজের সংগ্রহোত্তর পচন রোধে ৩ হাজার ৭০০টি পরিবেশবান্ধব এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ পচনের হাত থেকে রক্ষা করা এবং দেশের আমদানি ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। প্রকল্পের আওতায় কৃষক পর্যায়ে ৩ হাজার ৯০০ জন কৃষককে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে পেয়াঁজ সংরক্ষণের প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০২৫ সালের মে মাসে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্পটির অর্থায়ন করছে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড। প্রকল্পটি পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, মাগুরা, ঝিনাইদহ, মানিকগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রংপুর ও বগুড়াসহ ১৬ জেলার ১০৭টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভবদহে ডুবেছে মাছের ঘের

1

কোয়েল,কম্পোস্ট সার তৈরিতে জরিনার সাফল্য

2

দেশের জমি চাষ করছে ভারতের লোকজন

3

খায়রুলের জালে ২৫ কেজির কোরাল

4

অন্ধকারে ৭২১ কোটির ‘কৃষক স্মার্টকার্ড’ কার্যক্রম

5

মাদারীপুরে দেশি মাছের আকাল

6

লাম্পি আক্রান্ত ২১ হাজার গরুঃমৃত্যু ৪০

7

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি পরিদর্শনে কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম

8

নরসিংদীর কাকরোল চাহিদা মেটাচ্ছে সারা দেশে

9

কুড়িগ্রামে পাট জাগ দেয়া নিয়ে বিপাকে চাষিরা

10

জলজ প্রাণী রক্ষায় সুন্দরবনে ১০ খালের মুখে কাঠের বেড়া

11

ধানের দাম না থাকায় চাষীরা হতাশ

12

ডিম-মুরগি বিক্রি : সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের পাশাপাশি ন্যূনতম

13

দিনাজপুরে আগাম শিম চাষে সফলতা

14

কালীগঞ্জের কাঁকরোল যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে

15

বিষ দিয়ে কৃষককের ধান পুড়িয়ে দেবার অভিযোগ

16

বাগেরহাটের ঢেঁড়স চাষীরা হতাশ

17

দুর্বৃত্ত কেটে দিলো কৃষকের ৮শ’পেঁপে গাছ

18

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

19

বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে ফেনীতে দুই ডিলারের জরিমানা

20