কৃষি সময়
প্রকাশ : Sep 18, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

হাঁসের খামারে করে স্বাবলম্বী পল্লব

খুলনা সংবাদদাতাঃ 
হাঁসের খামার করে সফলতা পেয়েছেন পল্লব গাইন নামে এক তরুন উদ্যোক্তা। তার খামারে রয়েছেপ্রায় এক হাজার হাঁস। যার ডিম বিক্রি কওে তিনি প্রতিদিন ভাল টাকা আয় করছেন। এর মাধ্যমে তিনি নিজেকে পতিষ্ঠিত করেছেন। তার এমন সাফল্য এলাকার অনেক তরুন এই খামারে আগ্রহ দেখাচ্ছে। সফল  এ উদ্যোক্তা খুলনার দাকোপ উপজেলার বাজুয়া চাড়ারধার গ্রামের বাসিন্দা। 

জানা যায়,এই তরুন উদ্যোক্তা ছেটবেলা তেকেই হাঁস মুরগী পালনের প্রতি আগ্রহ। পড়াশো করে চাকরির পিছনে না ছুটে তিনি এসবের খামারের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্টিত করার চিন্তা করেন। পরিবারের সহযোগীতায় তিনি ছোট পরিসরে হাঁসের খামার গড়ে তোলেন। ধীরে ধীরে সাফল্য পেলে তিনি খামারের পরিধি বড় করেন। এখন তার খামারে প্রায় এক হাজার হাঁস রয়েছে। যা থেকে তিনি প্রতিদিন ৭শ’মি পাচ্ছেন। ১৫টা পিছ দরে ডিম বিক্রি করে সে প্রতি মাসে ভাল টাকা আয় করছেন। এর মাধ্যমে তিনি নিজেকে খামারী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। হাঁসের খামারের আয়ের টাকা দিয়ে পরিবারকে সাহায্য করছেন। পাশাপাশি তিনি সঞ্চিত অথে ৪টি গরু কিনে লালন পালন করছেন। 

বাজুয়া চরারধার গ্রামের গৃহবধূ শাহনাজ বেগম বলেন, তিনি পল্লবের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ‘পেকিন’ জাতের হাঁস পালন করে ভালো আয় করছেন।

উদ্যোক্তা পল্লব গাইন বলেন, হাঁসের বাচ্চা কেনা থেকে শুরু করে ডিম পাড়ার উপযোগী হওয়া পর্যন্ত একটি হাঁস লালন-পালনে প্রায় ৪৫০ টাকা খরচ হয়। খাদ্য ও পরিচর্যা বাবদ যাবতীয় খরচ মেটানোর পর এ খামার থেকে মাসে ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয়। এর মাধ্যমে তিনি আগামীতে এই খামারের পরিধি বাড়ানো সহ গরু খামার করার চিন্তা করছেন। তার মতে বেকার যুবকরা চাকরির পিছনে না ছুটে এভাবে কাজে নেমে পড়লে সবাই লাভবান হবেন। 

প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দাকোপ উপজেলাজুড়ে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২২০টি হাঁসের খামার রয়েছে। নতুন উদ্যোক্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে।

দাকোপ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রদীপ কুমার মজুমদার জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে হাঁস ও গবাদি পশু পালনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। পল্লব ও তার বাবার এ যৌথ উদ্যোগ স্থানীয় তরুণদের জন্য একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টান্ত। প্রাণিসম্পদ বিভাগ তাদের টিকাদান, চিকিৎসা ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী যে কাউকেই প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হবে। দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বনির্ভরতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্রামীণ এলাকায় হাঁস পালনকে উৎসাহিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগ নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কেআইবি ভবিষ্যতে সকল কৃষিবিদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে

1

বদলে যাচ্ছে কুষ্টিয়ার মসলার গ্রাম

2

ফরিদপুরে লোকসানের মুখে মরিচ চাষিরা

3

পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

4

ডিসি লেক পরিচ্ছন্নতায় মাঠে নামলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

5

উদ্বোধনের পরেই বন্ধ বর্জ্য শোধনাগার

6

ফরিদপুরে সবেদা চাষে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

7

অনাবাদি থাকার শঙ্কায় সাড়ে তিন হাজার হেক্টর জমি

8

হাওরে ধরা পড়ছে রূপালী ইলিশ

9

জলবায়ু-সহনশীল দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তোলার আহ্বান স্পীকারের

10

চলনবিলের সরিষার মধুকে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দাবি

11

উৎপাদন বাড়লেও সংকট কাটছে না চা-শিল্পে

12

খামারবাড়িতে কর্মকর্তাদের হুমকি ও চাঁদা দাবি শেকৃবি ছাত্রদল ন

13

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পূনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে-অর্থমন্ত্রী

14

কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

15

মাল্টা চাষে নাসিরের বাজিমাত

16

আগাম আমন ধান কাটা শুরু

17

মাছ চাষে কালামের ঈশ্বনীয় সফল্য

18

পার্টনারসহ ডিএইর তিন প্রকল্পে নতুন পিডি

19

পাবনায় পাওয়া যেতে পারে ২০ বছরের গ্যাস

20