কৃষি সময়
প্রকাশ : Oct 12, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

চার চারা থেকে প্যাশন ফলের বাগান

কুমিল্লা সংবাদদাতাঃ 
প্যাশন ফল চাষাবাদে ভ্যাপক সফলতা পেয়েছেন আবুল হাসান ফারুক নামে এক চাষী। মাত্র চারটি চারা থেকেতিনি গড়ে  তুলেছেন বিশাল প্যাশন ফলের বাগান। যেখান থেকে ফল বিক্রি করে তিনি এখন বাড়তি আয় করছেন। সফল এই চাষী কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইছাপুরা গ্রামের বাসিন্দা। 

জানা যায়,এই চাষী ২০২৪ সালে দিকে সখ করে নিজ বাড়িতে চারটি প্যাশন ফলের চারা লাগান। যত্ন পেয়ে গাছগুেেলা দ্রুত বেড়ে ওঠে। পরবর্তীতে সেখান থেকে চারা গজিয়ে বাগানে রুপ নেয়। এরপর মাচা দেন চাষী ফারুক। পরর্বতীতে তার বাগানের প্রতিটি গাছে প্রচুর ফল ধরতে থাকে। এই বাগান থেকে দুই দফায় ফলও পেয়েছেন তিনি। প্রতি কেজি ফল বিক্রি করছেন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়। অল্প জায়গায় বিদেশি এ ফলের চাষ করে ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় ভবিষ্যতে বাগান বড় করার পরিকল্পনা করছেন তিনি। ভাল ফলন হওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে তার বাগান দেখতে আসছেন উৎসুক মানুষ। 

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শুরুতে প্যাশন ফল তাদের কাছে অপরিচিত ছিল। মাচায় ঝুলে থাকা গোলাকার ফল দেখে অনেকেই কৌতূহলী হয়ে বাগানে আসছেন। কেউ ফলের স্বাদ নিচ্ছেন, আবার কেউ নিজের বাড়িতে এ ফল চাষের বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফারুকের বাড়িতে বিদেশি এ ফলের বাগান দেখতে প্রতিদিনই লোকজন ভিড় করছেন।

ফারুকের বাগানে এখনও বড় পরিসরে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়নি। তবে অল্প জায়গায় চাষ, গাছের দ্রুত বিস্তার ও বাজারে তুলনামূলক বেশি দাম পাওয়ার সম্ভাবনা তাকে আশাবাদী করে তুলেছে।

ফারুক জানান, এ পর্যন্ত তার বাগানে দুই দফা ফলন হয়েছে। প্রতিবার আট থেকে ১০ কেজি ফল সংগ্রহ করেছেন। স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি প্যাশন ফল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। ফলে ছোট পরিসরের বাগান থেকেও ভালো দামে ফল বিক্রির সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখনও এ ফলের চাষ বড় ব্যবসা হিসেবে শুরু করিনি। শখ থেকেই শুরু হয়েছিল। কিন্তু ফলন ও দাম দেখে মনে হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে চাষ করা গেলে এটি ভালো আয়ের উৎস হতে পারে। ভবিষ্যতে বাগানটি আরও বড় করার ইচ্ছা আছে।

দাউদকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানা জানিয়েছেন, উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া প্যাশন ফল চাষের জন্য উপযোগী। সঠিক পরিচর্যা করলে গাছে ফুল ও ফল আসে। দেশে এ ফলের বাণিজ্যিক চাষেরও সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকার নার্সারি উদ্যোক্তারা বিদেশ থেকে প্যাশন ফলের বীজ সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে চারা উৎপাদন ও বিক্রি করছেন। দাউদকান্দির দন্ত চিকিৎসক ফারুক প্রায় দুই বছর আগে এ ফলের চারা সংগ্রহ করে বাড়িতে রোপণ করেছেন। তিনি ফলনও পাচ্ছেন।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রাণী প্রজনন নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন হচ্ছে

1

কৃষকদের ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক বন্ধের আহ্বান

2

কুমিল্লায় নার্সারির পাঁচ শতাধিক চারা কেটে দুর্বৃত্তরা

3

সফল কৃষি উদ্যোক্তা ফেনীর রিপন চেয়ারম্যান

4

পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির অনুমোদন

5

দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে সারাদেশে মাছ অবমুক্ত কার্যক্রম চলছ

6

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকে ঢুকলে দেখা যাচ্ছে নতুন বার্তা

7

স্রোত ও পানির অভাবে ব্যাহত ইলিশ প্রজনন

8

পিপিআর-এফএমডি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ জরুরি : সুলত

9

মৎস্য-প্রাণিসম্পদ উদ্যোক্তাদের তালিকা করা হবে-মৎস্য প্রাণিসম

10

লাউ চাষে সফল কৃষক কামরুল

11

বরফ সংকটে সাগরে যেতে পারছে না মাছের ট্রলার

12

সার পাচারের অভিযোগে ডিলারকে জরিমানা

13

বগুড়ায় আলু চাষীদের মানববন্ধন

14

২০০ কোটি টাকার কলা বিক্রির আশা

15

নেত্রকোণায় লাউয়ের বাম্পার ফলন

16

কোল্ড স্টোরেজে বিদ্যুতের বিল বাড়ায় প্রভাব পড়তে যাচ্ছে কৃষকের

17

চাঁদপুরে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে জনসচেতনতামূলক সভা

18

বরিশালে মৎস্য কেন্দ্র তিন দশক ধরে অচল

19

পেঁয়াজের দাম এখনো চড়া, আমদানি অনুমতি চারগুণ বাড়লো

20