কৃষি সময়
প্রকাশ : Aug 26, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সার নিয়ে হার্ডলাইনে সরকার

কৃষি সময় ডেস্কঃ 
দেশজুড়ে কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ডিলারদের বিরুদ্ধে। আমনের ভরা মৌসুমে সারা না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে কৃষকরা। অভিযোগ আছে,একটি সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে সার বিক্রি করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।  এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার। বরাদ্দ পাওয়া সার সময়মতো উত্তোলনে গড়িমসি না করতে ডিলারদের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

বরাদ্দ করা সার উত্তোলন নিয়ে সংকট তৈরির চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে সার ব্যবস্থাপনা নিয়ে ডিলারদের বেশকিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কৃষি মন্ত্রণালয়ে সার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব নির্দেশনা দেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ও কৃষিসচিব মো. সেলিম খান। সভায় বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।

জানা যায়, সারাদেশে সার নিয়ে তৈরি হওয়া অরাজকতা তৈরি হয়েছে ডিলারদের একটি অংশের সিন্ডিকেট। যারা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নিজেদের বরাদ্দ উত্তোলন না করেই সারের সংকট বলে প্রচার করে যাচ্ছে। এতে বাড়তি দামে সার কেনাসহ নানাভাবে হয়রানিতে পড়েছে কৃষক।

মন্ত্রণালয় বলছে, উত্তরাঞ্চলের অনেকগুলো জেলার ডিলাররা নিজেদের বরাদ্দ না তুলেই ক্রাইসিসের কথা প্রচার করেছে। অনেকে আবার গুদামে সার রেখে বেশি দামে বিক্রি করেছে।

এদিকে, এ চিত্র নিরসনে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বৈঠক হয়। যারা এই সংকট তৈরির চেষ্টা করছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নজরদারি এবং কেন এ অবস্থা তৈরি হয়েছে তার প্রকৃত কারণ খুঁজতে কৃষিমন্ত্রী ও সচিবসহ ৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করে দিয়েছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বিভিন্ন জেলার ডিসি ও কৃষি বিভাগের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে নিয়ে একটি বৈঠক করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে- যাতে করে ডিলাররা বরাদ্দের সার উত্তোলনে কোনোভাবেই গড়িমসি করতে না পারেন। শুধু তাই নয়, সার উত্তোলন ও বিক্রির সব বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা যে পরিমাণ সার বিক্রি করবে তার পুরোটাই রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ রাখতে হবে। সঙ্গে ক্রেতাকে বিক্রির রসিদ দিতে বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে। যাতে করে কেউ বেশি দামে সার বিক্রি করতে না পারে। এজন্য অবশ্য ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার দোকানে দোকানে অবশ্যই ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের সরকারি মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে টাঙানোর বাধ্যবাধকতা জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইলিশের ডিমের কেজি ৬ হাজার টাকা

1

রঙ্গিন মাছ চাষে ইমনের ভাগ্য বদল

2

তরমুজ চাষে কৃষকের সাফল্য

3

দেশের উন্নয়নে বেশি অবদান রাখছেন কৃষিবিদরা

4

উজানের ঢলে ভেসে গেছে ফসল মাছের ঘের

5

মজুত করা পেঁয়াজ পচনে দিশেহারা কৃষক

6

বৈদ্যেরবাজারে দেশি মাছের জমজমাট কেনাবেচা

7

চুয়াডাঙ্গায় আনারকলি চাষে সাফল্য

8

কাঁঠাল বীজ থেকে খনিজসমৃদ্ধ খাদ্য উপাদান প্রযুক্তি উদ্ভাবন

9

খানসামার ব্যস্ত সময় পার করছে আমন চাষিরা

10

খায়রুল কবির খোকন বললেন, ‘তারেক রহমানই সরকার পতন আন্দোলনের মা

11

কৃষককে জিম্মি করে কৃত্রিম সংকট ও বাড়তি দামে সার বিক্রির সুযো

12

দেশে সারের কোন ঘাটতি নেইঃ কৃষি মন্ত্রী

13

ইসলামপুরে পাট চাষে কৃষকদের মুখে হাসি

14

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের

15

মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ

16

১৫৫ কেজির কোরাল মাছ দেখতে ভিড়

17

ইসিফরজে প্রকল্পে ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান

18

বাগেরহাটের ঢেঁড়স চাষীরা হতাশ

19

মাছ বিস্তারে ভূমিকা রাখছে দুই অভয়াশ্রম

20