নওগাঁ সংবাদদাতাঃ
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার এক আম চাষীর ৪৬ বিঘা জমির প্রায় আট হাজার আম গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্থ চাষী নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা যায়,আম চাষী ইমারত উল্লাহ ১০ আগষ্ট তার বাগানে কাজ করছিলেন। এসময় একই গ্রামের বাবর আলী ও পত্মীতলা উপজেলার খোরশেদসহ প্রতিপক্ষের ২০ থেকে ৩০ জন লোক বাগানে ঢুকে চাষী সহ শ্রমিকদের বের করে দিয়ে প্রায় ৮ হাজার গাছের ডাল কেটে ফেলেন।
২০২৩ সালের জুনে ওই দুই ব্যক্তির কাছ থেকে আম চাষী ইমারত উল্লাহ ৪৬ বিঘার বাগান লিজ নেন। চুক্তিনামা অনুযায়ী প্রতিবছর ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৫ টাকা দরে দেওয়ার কথা রয়েছে। এখন পর্যন্ত তিন বছর অতিবাহিত হয়েছে। এরই মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত আমচাষী ইমারত মোল্লা জানান, বাবর মেম্বর ও খোরশেদ আলম আমাদের জোর করে বাগান থেকে বের করে দেয় এবং হুমকি দেয় যদি আমরা বাগানে আসি তাহলে জানে মেরে ফেলবে। আমরা বাগান ৯ বছরের জন্য লিজ নেই। প্রতি বছর ১৪ লাখ টাকা দরে।ইতোমধ্যে দুই বছর ভালোভাবে সমস্ত টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু এ বছর বাগানে লোকসান হওয়ায় পুরো টাকা দিতে পারি নাই। ১৪ লাখ টাকার মধ্যে ১০ লাখ দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪ লাখ টাকার জন্য তারা প্রায় আট হাজার আম গাছের ডালগুলো কেটে ফেলেছে।
অভিযুক্ত বাবর আলী মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান,আমরা ঢাকার কেরানীগঞ্জের হেকমত মোল্লার ছেলে ইমারত মোল্লাকে ৯ বছরের জন্য বাগান লিজ দেই। প্রতি বছর ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৫ টাকা দরে দেওয়ার কথা। কিন্তু তিনি লিজ নেয়ার পর থেকে ঠিক মতো টাকা দেন না। তাই আমরা আমরা নিরুপায় হয়ে আমাদের বাগান আমরা নিয়ে নিয়েছি। আম গাছ পরিচর্যার জন্য ডাল ছাটাই করা হয়েছে। সার দেওয়া হচ্ছে। কোন গাছ কেটে ফেলা হয় নাই। আমরা আমাদের বাগান পরিচর্যা করছি।
নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কৃ/স/জয়