চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্রগ্রামের বোয়ালখালি উপজেলার কৃষকরা বৃষ্টি আর বন্যার ক্ষতি পুশিয়ে নিতে এখন মাঠে মাঠে আমন চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নতুন করে বীজতলায় চারা উৎপাদন করে এ চাষাবাদে ঘুড়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছে তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এছাড়া, ৪ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আহলা, করলডেঙ্গা, আমুচিয়া, শ্রীপুর-খরণদ্বীপ, চরণদ্বীপ ও পোপাদিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ইতোমধ্যে চারা রোপণ শুরু হয়েছে। কৃষকরা ব্রি ধান-২২, ব্রি ধান-২৩, ব্রি ধান-৫২ ও ব্রি ধান-৫৭সহ বিভিন্ন জাতের ধান চাষ হচ্ছে। পাশাপাশি সিনজেনটার বিভিন্ন হাইব্রিড জাতও চাষ করছেন।
জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে চারা রোপণ শুরু হয়েছে। আগস্টজুড়ে এ কার্যক্রম চলবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে রোপণ শেষ হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। নভেম্বরের শেষ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ধান কাটা শুরু হতে পারে।
জৈষ্ঠ্যপুরা সূযব্রত বিলের কৃষক খোরশেদ আলম জানান,এবার তিনি ৩ কানি বর্গা জমিতে আমন চাষ করছেন। তার হিসাবে, গত বছর প্রতি কানি (৪০ শতক) জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করতে খরচ হয়েছিল ৩ হাজার টাকা। এবার একই কাজে খরচ হচ্ছে প্রায় ৪ হাজার টাকা। এর সঙ্গে শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ৮০০ টাকা। এবার চাষাবাদে তাদের বাড়তি খরচ হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানুর ইসলাম বলেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বীজতলা পুনরায় তৈরিতে কৃষকদের সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এতে কৃষকেরা সময়মতো আমন আবাদে ফিরতে পেরেছেন।’
কৃ/স/জয়