প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 13, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 13, 2026 ইং
হিলিতে বাড়ছে কাঁচামরিচ চাষ

দিনাজপুর সংবাদদাতাঃ
দিনাজপুরের হিলিতে কাঁচামরিচের আবাদ দ্রুত বাড়ছে। কম খরচে ভাল লাভ হওয়ায় চাষীরা মরিচ চাষে ঝুঁকছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হিলির সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো যেমন- ডাঙ্গাপাড়া, বোয়ালদার, খাট্টামাধবপাড়া ও আলীহাটের বিভিন্ন মাঠে বাণিজ্যিকভাবে কাঁচামরিচের চাষ হচ্ছে। মিসাইল জাতের উচ্চফলনশীল মরিচ চাষ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। ধান বা অন্যান্য দানাদার ফসলের চেয়ে মরিচ চাষে ঝুঁকি কম এবং আয়ের পরিমাণ বেশি। একবার চারা রোপণ করলে টানা কয়েক মাস পর্যন্ত মরিচ তোলা যায়। তাই অন্যান্য ফসলের জমি কমিয়ে অনেকেই এখন মরিচ চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষেতজুড়ে ঝুলছে সবুজ কাঁচামরিচ। কৃষকরা দলবেঁধে ক্ষেত থেকে মরিচ তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
মরিচ চাষী ইয়ানুর, মাজেদুল সহ কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ বছর কাঁচামরিচ চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার দামও বেশ চড়া। বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ পাইকারি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খরচের চেয়ে লাভ দ্বিগুণেরও বেশি হচ্ছে। আগামীতে আরও বেশি পরিমাণ মরিচ চাষ করা হবে।
হিলির কাঁচামরিচের গুণগত মান ভালো হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা, বগুড়াসহ দেশের বড় বড় জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব মরিচের ক্ষেতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকেই। প্রতিদিন মরিচের ক্ষেত দেখতে আসছেন অনেকেই আবার কেউবা আসছেন মরিচ চাষের পরামর্শ নিতে।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ইউএনও) আরজেনা বেগম জানান, চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। কৃষকদের মানসম্মত বীজ নির্বাচন, সুষম সার ব্যবহার এবং পোকা-মাকড় দমনে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে আসছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় আমরা আশা করছি আগামীতে এ অঞ্চলে কাঁচামরিচের চাষ আরও ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করবে। চলতি মৌসুমে দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলি উপজেলায় ৮ হেক্টর জমিতে কাঁচামরিচ চাষাবাদ হয়েছে যা গত দুই বছর আগেও ছিলো মাত্র ২ হেক্টর জমিতে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়