প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 9, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 9, 2026 ইং
নেপালি কলা চাষে আসিফের ভাগ্যবদল

কুষ্টিয়া সংবাদদাতাঃ
নেপালি সাগর কলা চাষাবাদে নিজের ভাগ্য বদল করেছেন মো. আসিফ আওয়াল উৎস নামে এক তরুন উদ্যোক্তা। তিনি ২৫ বিঘা জমিতে এই কলা চাষাবাদ করে এখন প্রতি বছর মোটা অংকের টাকা আয় করছেন। যার মাধ্যমে নিজের বেকারত্ব ঘুচানোর পাশাপাশি সংসারে এনেছেন সচ্ছলতা। তার এমন সাফল্য দেথে এলাকার অনেকেই এই কলা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সফল এই উদ্যোক্তা কৃষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার কাজীহাটা গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়,এই উদ্যোক্তা কয়েক বছর আগে টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে চারা সংগ্রহ করে বাণিজ্যিকভাবে ২৫ বিঘা জমিতে নেপালি সাগর জাতের কলা চাষাবাদ করেন। প্রথমে এলাকার লোকজন তাকে নিরুসাৎহিত করলেও ভাল ফলনে সবাই তাকে এখন উৎসাহ দিচ্ছেন। তার বাগানের প্রতিটি গাছেই ধরেছে বড় বড় কলার কাঁদি। এই বাগান থেকে বছরে তিন বার কলা বিক্রি করছেন উৎস। বড় বড় কাঁদি হওয়ায় বেশি দাম পাচ্ছেন। তাছাড়া কলার মান ভাল হওয়ায় বেশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। বাগান থেকেই ব্যাপারীরা কলা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এই বাানে নেপালি সাগর ছাড়াও তিনি সবরি, চাঁপা, চিনি চাম্পা ও জি নাইনসহ বিভিন্ন জাতের কলার আবাদ করা হয়েছে। এই কলা বিক্রি করে বছরে মোটা অংকের টাকা আয় করছেন উদ্যোক্তা ।
কলা বাগানের উদ্যোক্তা আসিফ আওয়াল উৎস জানান, এই কলা একবার চারা রোপণ করে তিনবার কলার ফলন পাওয়া যায়। খরচ কম অথচ লাভ বেশি হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে নেপালি সাগর জাতের কলার আবাদ করছেন। এ জাতের কলা বড়, সুস্বাদু ও রং সুন্দর হওয়ায় দেশের সব জেলাতেই এর চাহিদা অনেক বেশি। প্রথমবারেই খরচের টাকা বাদ দিয়ে দ্বিগুণ লাভ হয়েছে। ওই জমি থেকে এখনো দুইবার কলা পাওয়া যাবে।
স্থানীয় কৃষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, ধান চাষে লাভ খুব কম। কিন্তু কলা চাষে খরচের প্রায় দ্বিগুণ আয় হয়। তাই এখন অনেকেই এ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। পাশাপাশি কলাবাগানে অনেকের জীবিকার সুযোগও তৈরি হয়েছে।
ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. মাহমুদা সুলতানা পলি জানান, কলাচাষিদের বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছেন। আসিফ আওয়াল উৎস এবার ২৫ বিঘা জমিতে নেপালি সাগর জাতের কলা চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তাকে কলা চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কলায় কার্বাইড ও বিষাক্ত স্প্রে ব্যবহার না করার জন্যও চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়