প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 28, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 28, 2026 ইং
লালপুর ডাব বাজারে কোটি টাকার বেচাকেনা

ফেনী সংবাদদাতাঃ
ফেনীর লালপুরে গড়ে উঠেছে বিশাল পাইকারি ডাবের আড়ত। যেখানে প্রতি মাসে কোটি টাকার বেশি ডাব কেনাবেচা হচ্ছে। প্রতিদিন এই আড়ত থেকে ডাবের চালান যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
লালপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই ডাবের আড়ত চলে সারাদিন। ফেনীর সোনাগাজী সহ নোয়াখালীর সুবর্ণচর, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় প্রচুর পরিমাণ নারকেল গাছ আছে। এসব গাছ থেকে মালিকরা প্রতিদিন হাজার হাজার ডাব পেরে ভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আড়তে আনা হয়। প্রতিদিন এই আড়ত থেকে ১০-১২টি ট্রাকে করে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার ডাব দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হয়। বিশেষ করে ঢাকার উত্তরা, কারওয়ান বাজার, চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গিবাজার ও কুমিল্লার চকবাজারে এই ডাবের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
তৃষ্ণা মেটাতে কচি ডাবের পানির জুড়ি নেই। শুধু পানীয় হিসেবেই নয়, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের পথ্য হিসেবেও এর চাহিদা এখন আকাশচুম্বী। এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে আড়তটিতে চলে জমজমাট কেনাবেচা।
এই আড়তের পাইকারি ডাব বিক্রেতা নূর ইসলাম জানান, তাঁরা প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে প্রতিটি ডাব ৬০-৭০ টাকায় কিনে আড়তে ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি করেন। খুচরা বাজারে এই ডাবই আবার ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা যায়।
আরেক বিক্রেতা মোহাম্মদ শেখ ফরিদ বলেন, ‘বর্ষা শেষে গাছে ফলন বেশি থাকায় আড়তে ডাবের আমদানি বাড়ে। প্রতিদিন এখান থেকে হাজার হাজার ডাব যাচ্ছে বড় বড় শহরে।
সোনাগাজীর চর চান্দিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী ফরহাদ অভিযোগ করেন, ডাব বিক্রি করে আমরা সারা বছর ভাল টাকা আয় করি। তবে কাঠবিড়ালির উপদ্রবে ডাব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে কৃষি বা বন বিভাগ থেকে কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।
সোনাগাজী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সোনাগাজীর মাটি ও আবহাওয়া নারিকেল চাষের জন্য খুবই উপযোগী। পরিচর্যা ও সচেতনতার অভাবে ফলন অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছায় না। আবাদ বাড়াতে এ বছর ১৮০০ কৃষকের মাঝে ৯ হাজার নারিকেলের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়