প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 27, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 30, 2026 ইং
ইলিশের ডিমের কেজি ৬ হাজার টাকা

চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ চাঁদপুরে ভরা মৌসুমেও আড়তে মিলছে না ইলিশ। যৎ সামান্য পেলেও তার দাম বেশিরভাগ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। শুধ মাছ নয়। এর ডিমও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। ৬ থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ইলশের ডিম।
চাঁদপুরের দুটি আড়তে দেখা যায়,নরম ইলিশ কেটে লবণ দিয়ে নোনা ইলিশ তৈরি করা হচ্ছে। এসব মাছের ডিমগুলো আলাদা করে প্লাস্টিকের বঙ্ েকরে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। মাছ না থাকায় সে সংখ্যা খুব কম। ডিমের চড়া দাম থেকে ফিওে যাচ্ছেন ক্রেতারা।
আড়তের কর্মচারীরা জানান,এভাবে ইলিশের ডিম ও মাছগুলো লবণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়। তবে মাছ নরম হলেও ডিম তরতাজা থাকে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মাছ অনেক কম। ফলে বেশির ভাগ আড়তই বন্ধ হয়ে পড়েছে। তাই আমদানি কম হওয়ায় ডিমের দাম বেড়েছে।
চাঁদপুর মাঝঘাটে ইলিশের ডিম কিনতে আসা মনির হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, ডিমের দাম অনেক চড়া। আমি কিনতে চেয়েছিলাম। এক কেজি ডিম ৬ হাজার টাকা চেয়েছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি কেনা কঠিন।
আড়তদার নুরে আলম বলেন, ঘাটে ইলিশ একেবারে কম আসে। যার কারণে ডিমযুক্ত ইলিশও কম আসে। যার কারণে আমরা এখন প্রতি সপ্তাহে একবার ইলিশ কাটি। এক মণ ইলিশ কাটলে ডিম হয় ৪-৫ কেজি। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের ডিম সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে।
ইলিশের আড়তদার সম্রাট বলেন, মাছ ঘাটে ইলিশের ডিমের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তুলনামূলকভাবে ঘাটে ইলিশ মাছ কম সরবরাহ হওয়ায় ডিমের দাম একটু বেশি।নোনা ইলিশের মণ হচ্ছে ৭০ হাজার টাকা। দাম বেশি হওয়ায় ইলিশের ডিমের কেজি ৬ থেকে সাড়ে ছয় হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শবেবরাত সরকার বলেন, চাহিদা অনুযায়ী মাছ কম। যার কারণে ডিমের দাম চড়া। বর্তমানে ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায় এক কেজি ডিম পাইকারি মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। মাছের আমদানি কমে যাওয়ায় ডিমের দাম বেড়ে গেছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়